ফেসবুকে লোল নয়, চলছে হাহা-হিহি
মানুষ ফেসবুকে এখন ‘এলওএল’ বা ‘লোল’ লেখার পরিবর্তে ইংরেজিতে লেখা ‘হাহা’, ‘হিহি’ বেশি ব্যবহার করছে। এলওএল অর্থ লাফ আউট লাউড যা উচ্চশব্দে হাসি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ফেসবুক কর্তৃপক্ষ সম্প্রতি ইলেকট্রনিক লাফিং বা ই-লাফিং বিষয়ক গবেষণার ফল প্রকাশ করেছে। যাতে দেখা গেছে ‘এলওএল’র চেয়ে ‘হাহা’ ও ‘হিহি’-ই বেশি জনপ্রিয়।
টেলিগ্রাফের অনলাইনে খবরে বলা হয়েছে, ফেসবুকের গবেষণার দেখা গেছে, ‘হাহা’ শব্দটি এখন উচ্চশব্দে হাসি বোঝাতে ব্যবহৃত হচ্ছে যা ইমোজির ব্যবহারের চেয়েও জনপ্রিয়। এখন ফেসবুক পোস্টে মন্তব্য হিসেবে ‘এলওএল’ শব্দটি মাত্র এক দশমিক নয় শতাংশ ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হচ্ছে। সেই তুলনায় ‘হাহা’ শব্দটি ব্যবহৃত হচ্ছে ৫১ দশমিক ৪ শতাংশ। এ ছাড়া ইমোটিকন বা ইমো ব্যবহার করছেন ৩৩ দশমিক ৭ শতাংশ। ‘হিহি’ শব্দটি ব্যবহৃত হচ্ছে ১৩ দশমিক ১ শতাংশ ক্ষেত্রে।
এ গবেষণাটি শুধু ফেসবুক ব্যবহারকারীদের পোস্ট নিয়ে পরিচালনা করেছেন ফেসবুকের গবেষকেরা। এতে সরাসরি বার্তাকে গোনায় ধরা হয়নি। গবেষণায়, পুরুষ এবং নারীদের মধ্যেও এসব ‘ইমো’ কিংবা ‘ই-লাফিং’ ব্যবহারের ক্ষেত্রে ভিন্নতা দেখা গেছে। বার্তা পাঠানো কিংবা ফেসবুক পোস্টের ক্ষেত্রে পুরুষেরা ‘হাহা’ কিংবা ‘হিহি’ বেশি ব্যবহার করেন যেখানে নারীরা এসব ক্ষেত্রে ইমো ব্যবহার করেন বেশি। এ ছাড়া স্থান ভেদেও ইমো কিংবা ই-লাফ ব্যবহারে ভিন্নতা দেখা গেছে।
বাঘদূত হলেন বলিউড অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন।
ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যের বাঘ বাঁচাও কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মহারাষ্ট্র সরকারের ডাকে সাড়া দিয়ে তিনি এই রাজ্যের বাঘদূত হলেন। গত সোমবার এ কথা বলেছেন দেশটির মহারাষ্ট্রের বনমন্ত্রী সুধীর মুঙ্গতিওয়ার। অমিতাভ বচ্চন মন্ত্রীকে চিঠি লিখে তাঁর সম্মতির কথা জানিয়েছেন।
বাঘ রক্ষা এবং বাঘ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে গত ২৯ জুলাই ‘বিশ্ব বাঘ দিবসে’ অমিতাভকে দূত হওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন ভারতের মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ সরকার। সেই আমন্ত্রণেই সাড়া দিলেন অমিতাভ।
প্রসঙ্গত, মহারাষ্ট্রে বাঘের জন্য পাঁচটি অভয়ারণ্য রয়েছে। ২০০৬ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে এই রাজ্যে বাঘের সংখ্যা ১৬৯ থেকে বেড়ে ১৯০ হয়েছে।
বাঘদূত হলেন বলিউড অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন।
"পথশিশু আর আমি একদিন "
আসলে বুঝে উঠতে পারছিলাম না কোথা থেকে শুরু করবো, মনে হচ্ছে এক খণ্ড আকাশ আমার উপরে ভেঙ্গে পরেছে। ভাবছি কিছু দিন যেই ভাবে মসুল ধারায় বৃষ্টি পরেছে আজ যদি ঠিক ওই একি ভাবে পরতো তাহলে চোখের জল টা লুকোতে পারতাম। আজি আকাশ টাকে হাসতে হলো ? উপরে তাকিয়ে একবার দেখে নিলাম, নাহহহ আজ মনে হচ্ছে না বৃষ্টি হবে। বিশাল আকাশ টার আজ খুব আনন্দ হচ্ছে কারন তার বুকে আজ কনো মেঘের ছায়া নেই। সব বাধা ভেঙ্গে আজ মনের আনন্দে মাটির বুকে থাকা মানুষ কে রোদ বিলাচ্ছে।
...
...
আমি আসিফ, ৬ মাস হলো ঢাকা পা ফেলেছি চাকরির খোঁজে। আজ অব্দি একটা চাকরী যোগাড় করতে পারিনি। খুলনা থেকে এম বি এ করেছি, ভাগ্যিস ঢাকায় বোন ছিল, আমি পরিবারের সবার ছোট তাই নিজের উপর কখনো আলাদা একটা চাপ অনুভব করিনি।আর গ্রামের বাড়ী তে যা আছে তা দিয়ে দিব্যি চলে যায় দিন। বাবাই আমার সব খরচা দিচ্ছিল কিন্তু কেন জানি না, সময়য়ের সাথে সাথে বাবার কাছে হাত পাতা টাও মনের মাঝে এক বিশাল কিন্তু তৈরি করছিলো।
...
...
হঠাৎ ই একদিন এক আফিসে চাকরীর ইন্টারভিউ এর জন্য ডাক পাই। প্রত্যেক বারের মতো এই বার ও সব ঠিক ঠাক ছিল, কিন্তু এই বার যেন একটু আলাদা লাগছে ,মনের কোণে এক হাসির উস্কানই। হয়তো চাকরী টা হয়েই যাবে এই বার।খূব খূশী ছিলাম। কিন্তু আজ আমায় আফিস ম্যানেজার ডেকে বললেন এই চাকরী পেতে হোলে আমাকে ১৫ লাখ টাকা ঘুষ দিতে হবে। আর তাতেই আকাশ টা আমার উপর ভেঙে পড়লো।বেকারত্ব টা বুঝি এই বারো আমায় ছাড়ছে না। এক প্রকার বন্ধু সেজেই রইল।
...
...
অফিস থেকে বেড় হয়ে, ফার্মগেট এর রাস্তায় হাটা ধরলাম আর ভাবছিলাম। হঠাৎ যেন বুকের মাঝে একটা না পাওয়া কষ্ট অনুভব করলাম, আসলে বেকারত্ব কি তা মাস্টার্স করার পর চাকড়ী না পাওয়া যে কেঊই বুঝতে পাড়বে।
সিগারেটের ধোঁয়ায় এখন নিজেকে বিলিয়ে দিয়ে দেখছি ফার্মগেটের ঐতিহাসিক জ্যাম। হাজার হাজার গাড়ী, বাস এর স্তব্ধ হয়ে দাড়িয়ে থাকা।
...
...
এমনি সময় পিছন থেকে বাচ্চা এসে
বাচ্চা ঃ ভাইয়া এক ব্যাগ লেবূ নিবেন ?
আমি ঃ এক অসহায় এড় মতো না সূচক ভাবে মাথা টা নাড়ালাম।
বাচ্চাটি তারপর ভীড়েড় মাঝে মিশে গেলো আড়ও অন্য শিশু দের সাথে।। কিন্তু বাচ্চা টিকে দেখা যাচ্ছে সে বিভিন্ন গাড়ীর গ্লাস এর সামনে হাত নাড়ছে তার থেকে যেনো কেঊ লেবূ কিনে। হঠাৎ এক গাড়ীর ভিতর থেকে কেঊ একজন খুব পয়সাওয়ালা বাচ্চা টিকে একটা ধাক্কা দিলো, বাচ্চাটি ধাক্কা খয়ে আর একটা বাস এর সাথে গিয়ে টক্কর খেলো মনে হোলো মাথায় খুব জোড়ে একটা আঘাত পেয়েছে। সাথে সাথে আমি মুখের সিগারেট টা ফেলে দৌড়ে বাচ্চাটির কাছে গিয়ে তাকে কোলে নিয়ে নিলাম।আর তোতোক্ষোনে রাস্তার গাড়ীঘোড়া আবার তার আপন গতিতে ছুটে চোলতে শুরু করলো।
...
...
বাচ্চাটিকে দেখে আমার চোখে কেনও জানিনা পানি চলে আসলো, এমনতো অনেক শিশু কে আমরা রাস্তায় চলতে দেখি কিন্তু এই বাচ্চা টির চেহারা খুবি মায়াবী। আমি যখনই তার মাথার দিকে তাকাচ্ছিলাম আমার ভিতর থেকে অতো বেশি কান্না আসছিল। মাথাটা খুব ফুলে গিয়েছে, আর বাসের সাথে জোড়ে আঘাতের জন্য রক্তটা জমাট পড়ে গেছে। শিশুটি অনবরত তার চোখের জল ফেলে তার মাকে ডাকছে। "ওমা গো, মা আমরে বাঁচান। আমি আমার মার কাছে যামু"।
আমি বাচ্চা টির কান্না দেখে নিজেকে আর ধরে রাখতে পারিনি।
...
...
তখন আমার খুব নিজের মায়ের কোথা মনে পোঁরে গেলো। ছেলেটিকে পাশের এর ফার্মেসি থেকে ড্রেসিং কড়িয়ে। নিজে রিক্সা করে তার মায়ের কাছে পৌছে দিয়ে এসেছি, তার সাথে ২০০ টাকা ছেলেটির মার হাতে দিয়ে এসেছি। তার মা ছেলেটীকে দেখেই কান্নায় ভেঙে পোঁরে। ..................
......
......
আসলে মানুষ টাকার মোহে নিজেদের ভুলে যায়। ভুলে যায় তারা মানুষ। টাকার মোহে তারা মানুষ থেকে পশু হতে দ্বিধা বোধ করে না। আজ আমি এই পথশিশু টিকে দেখে বূঝলাম। আসলে টাকা মানুষ কে কি করে বদলে দেয়। গরীব মানুষের কি বাঁচার অধিকার নেই? শুধু কি টাকার জোড়ে তাড়ই বেঁচে থাকবে? অবশেষে আজকের দিনটি এইভাবেই কাটিয়ে বোনের বাড়ী চলে যাই। আর তার পড়ের দিন, কীছূ না ভবেই কয়েক দিন এর জন্য মার কাছে চলে আসি খুলনায়।
THANK YOU
Subscribe to:
Posts (Atom)